IMG_5130

Sunamganj in winter – শীতের সুনামগঞ্জ

প্রতিবছরই আমি আর আজাদ ভাইয়া সুনামগঞ্জ (Sunamganj) যাই, হোক সেটা বর্ষাকাল কি শীতকাল। আমরা ২ সময়ই সুনামগঞ্জের (Sunamganj )টাঙ্গুয়ার হাওড়কে দেখতে চেয়েছি। এবার মানে ২০১৯ এ এসে শেষমেশ আমাদের দেখা শেষ হল। শেষ হলো কারণ শেষ ৩ বছর আমরা শিমুল বাগানটা দেখতে এসে ধরা খেয়ে গেছি, এবার এসে পেলাম অবশেষে, সুতরাং মনে হয়না আগামী ২/৩ বছরে আর সুনামগঞ্জের দিকে পা বাড়াবো

যাই হোক, এবার সুনামগঞ্জে (Sunamganj) আসাটা মোটেও ঠিক ছিলনা, শেষ সময়ে ধুমধাম গুছিয়ে রওনা হয়েছি। এবারও আগের মতো সাথে ছিল রবিন, আর নতুন যোগ হয়েছে ইমতিয়াজ ভাইয়া আর মহসিন রেজা ভাইয়া। রাতের ২২৩০ এর নন-এসি ( কোনভাবেই আমি রাজি ছিলাম না, কারণটা গুপন) বাসে করে রওনা হলাম (বাসের টিকেট ৫৫০/-, শ্যামলী)। রাতে একটা ব্রেক দিয়েছিল নামার পর বুঝলাম কেমন ঠাণ্ডা আর যেহেতু নন-এসি, সুতরাং এমন হোটেলের সামনেই রাখবে যেটার ওয়াশরুম কোনভাবেই ভালো হওয়া সম্ভব না। কোনভাবে ডাউনলোড করেই বাসে এসে ঘুম, অন্য কেউ মনে হয়না ঘুমাতে পেরেছে, কারণ একটাই – শ্যামলী বাস। উড়াতে উড়াতে ৫ টায় নামিয়ে দিয়েছে সুনামগঞ্জ।

সার্কিট হাউজে আগেই বুক করা ছিল রুম, সময় নষ্ট না করে সোজা রুমে সব কিছু রেখে ফ্রেস হয়েই রওনা করলাম ব্রেকফাস্ট করতে। পানসি রেস্টুরেন্টে নাস্তা করে দ্রুত বের হয়ে গেলাম, সকালের আলোটা মিস করতে চাইনি আমরা কেউ

শীতের হিমশীতল বাতাসে মোটরসাইকেলে রওনা হলাম টাঙ্গুয়ার হাওড়ের উদ্দেশ্যে। আঁকাবাঁকা রাস্তা দিয়ে কিছুক্ষণ যেতেই রাস্তার দুপাশে অজস্র তরমুজের ক্ষেত। মেঘালয়ের এই পাশে এমন ক্ষেত দেখতেও চোখ জুড়িয়ে যায়।

তরমুজের ক্ষেত থেকে ১টা তরমুজ গিফট নিয়ে রওনা করলাম আবার। ৪৫ মিনিট পর পৌঁছে যাবেন জাদুকাটা নদীতে। পানি একদম শুকিয়ে গেছে। অল্পকিছু দূরত্বের জন্য নৌকায় পার হতে হয়, পার হয়েই সোজা শিমুল বাগান।

জয়নাল আবেদিন সাহেব করে গিয়েছেন এই শিমুল বাগানটি। এটা প্রায় ২০০০ এর বেশী গাছ নিয়ে করা বাগান। এই সময় মানে জানুয়ারি এর শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি এর মাঝামাঝি পর্যন্ত লাল রঙের শিমুল ফুলে ভরে যায় সব গাছ। আর এই বাগান দেখতে হাজার হাজার মানুষ আসে দুর দূরান্ত থেকে।

শিমুল বাগান থেকে বের হয়ে চলে এলাম বারিক্কাটিলায়, এখান থেকে পুরো যাদুকাটা নদী দেখা যায়, যদিও এখন নদী নাই, পুরোটাই বালু দিয়ে ভরে আছে, বর্ষায় আবার একদম পানিতে ভরে থাকে। এই টিলার শেষ প্রান্ত বাংলাদেশ আর ভারতকে আলাদা করেছে।

বারিক্কাটিলা থেকে নেমে চলে গেলাম সিরাজি লেক যেটা এখন নিলাদ্রি লেক নামেও পরিচিত। নিলাদ্রি লেক এ দুপুর হয়ে আশায় লাঞ্চের জন্য কাছের বাজারে চলে গেলাম। গত যতবার এসেছি এই চাচার দোকানেই লাঞ্চ করেছি। অসম্ভব রকমের মজার রান্না।

লাঞ্চ শেষ, ফেরার সময় আবার শিমুল বাগানে থেমে তারপর সোজা সার্কিট হাউজে ব্যাক করতে ৭টা বেজে গেলো। ১১টার বাস ধরে পরদিন সকালে ঢাকা।

ও আচ্ছা, বাইক ৮০০-১০০০ টাকা নিবে সারাদিনের জন্য

আজ এ পর্যন্তই

Tanguar haor (Bengali: টাঙ্গুয়ার হাওর, Sylheti:; also called Tangua haor), located in the Dharmapasha and Tahirpur upazilas of Sunamganj District in Bangladesh, is a unique wetland ecosystem of national importance and has come into international focus.

Niladri Lake, located at Tekerghat in Sunamganj near the Indian border, is called Bangladesh’s Kashmir

There is a hillock beside the river, possibly 150 feet is the height. People says that as Barik Tila(বারিক টিলা), Barikka Tila(বারিক্কা টিলা), etc. From the top of the hill, the people and the boats beside the river look very small.

Shimul Bagan’ is situated in the Jadukata river banks taking over 100 bighas of land in Tahirpur, Sunamganj. The garden also contains lemon trees. It appears like a field of Bombax that has been decorated by imaginary colors.

How to go:
From Dhaka to Sunamganj by bus (non-AC), will cost you around 550 BDT and will take 5/-6 hours maximum to reach Sunamganj. upon reaching, hire a bike which will be available in bus stand, will cost you around 800-1000 BDT max for the whole day trip. first will go to Shimul bagan, then barikkatila, then niladri lake. you will get another flavour in rainy season, when you can hire a boat and sail to the area.

when to go: if you want day trip, you can go at winter, if you wanna see the lovely lake view and stay in the boat at night then go to the rainy season.


Comments are closed.