DCIM100MEDIADJI_0025.JPG

বগুড়ায় ১ দিনের ঝটিকা সফর

লাল মরিচের ঈগলের চোখে ছবি দেখে অনেকদিন থেকেই ইচ্ছে ছিল বগুড়া যাব, কিন্তু যাওয়া হচ্ছিলনা

এবার মহসিন রেজা ভাইয়া বগুড়া ক্যান্টনমেন্টে পোস্টিং এ যাওয়ার পর ওখানে যাওয়ার একটা কারণ পাওয়া গেলো, মনে মনে ভাবতে ভাবতেই আজাদ ভাইয়া একদিন ফোন করে বলল রেজার ওখানে যাব, যাবি ? এই অফার কি আর ছাড়া যায় ?

২১ শে ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার সকালে ভোর ৫ টায় রিপোর্ট করার কথা, স্বভাবতই আমি ১৫ মিনিট লেট। আজাদ ভাইয়ার আর নাহার আপুর সাথে রওনা করলাম বগুড়ার উদ্দেশ্যে। ঢাকা থেকে বগুড়া খুব একটা দূরত্ব না, শুধুমাত্র টাঙ্গাইলের এলেঙ্গাতে জ্যাম লাগার সমূহ সম্ভাবনা আছে আর যদি একবার পরেছেন তো ২/৩ ঘণ্টা শেষ। আমরাও পরেছিলাম জ্যাম এ, ১ ঘণ্টা মতো লেগেছিল পার হতে। যাই হোক বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট এ ১০:৩০ এর দিকে পৌছালাম, ফ্রেশ হয়েই বেরিয়ে পরলাম, রেজা ভাইয়া আবার সাথে দুপুরের খাবার নিয়ে নিলো।

প্রথমে গেলাম সারিয়াকান্দির প্রেম যমুনা ঘাট এ, লাল মরিচের খোঁজে। পেলাম না। লোকাল লোকজনকে জিজ্ঞেস করলাম, বলল এখনো মরিচ পাকেনি কিন্তু কিছু পাবেন কালীঘাট এ। যেটা পেছনে ফেলে এসেছি। গাড়ি ঘুরিয়ে চলে গেলাম, হ্যাঁ এবার দেখা মিলল লাল মরিচের মহাসমারোহ এর সাথে। তুলে ফেললাম অনেক ছবি।

এবার নৌকা ভাড়া করে নদীতে ঘুরতে বের হলাম, ঘণ্টায় ৩০০ টাকা, মাঝ নদীতে লাঞ্চ সেরে নিলাম। নৌকা নিয়েছিলাম শ্যাওলা ভরা পানিতে নৌকার ছবি তুলতে, কিন্তু তেমন দেখা মিলল না। যাক নৌকা থেকে নেমে ৩ কিমি চালিয়ে এক গ্রাম এ পাওয়া গেলো আরও কিছু শুকনা মরিচের চাতাল। এই দিনের জন্য শেষ।

পরদিন সকালে রেজা ভাইয়ার ওখানে জাহিদা ভাবীর করা অসাধারণ নাস্তা শেষ করে বেরিয়ে পরলাম ঢাকার উদ্দেশ্যে। হাতিকুমরুল থেকে বামে গেলে ঢাকার রাস্তা, আর সোজা গেলে সোনতলা নাম এর এক জায়গা আছে যেখানে এক ব্রিজের উপর থেকে আমাদের কাঙ্ক্ষিত শ্যাওলা ভরা খাল পেয়ে গেলাম, ব্যাস নৌকা ভাড়া করে বেশ ছবি তোলা হল। ছবি তুলে আবার ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা, মাঝে এরিস্টক্র্যাটে লাঞ্চ, ব্যাস ব্যাক টু ঢাকা।

বিঃদ্রঃ ছবি তোলার লোকেশন দিয়ে অশেষ উপকার করেছেন সাবিনা আক্তার অশেষ কৃতজ্ঞতা আপু

কিভাবে যাবেনঃ ঢাকা থেকে বগুড়া – বাসে, ওখান থেকে সিএনজি নিয়ে সারিয়াকান্দি। আর হাতিকুমরুল থেকে বাসে সোনতলা বাজার, বাজার থেকে সিএনজি/ব্যটারি রিক্সায় সোনতলা ব্রিজ

আজ এ পর্যন্তই
২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০

IMG_2821-v copy 2

Berannye (বেরান্নো) Lakeshore cafe – তে একদিন

রাঙ্গামাটি বরাবরই আমার প্রতিবছরের বাকেট লিস্টে থাকে। কম করে হলেও ২ বার এক বছরে। এর হাজারটা কারণ আছে। তার মধ্যে যদি একটা বলি তাহলে বলতেই হয় আমার ঢাকার বাইরের প্রথম ট্রিপ ছিল রাঙ্গামাটিতে, ২০০৯ এ।

বরাবরের মত গত বছরও গিয়েছিলাম, তবে যাওয়ার আগে রিজয়কে বলে গিয়েছিলাম। ওর বাড়ি আবার এখানেই। ওর সুবাদে জানতে পারলাম ওর এক মামার একটা রেস্টুরেন্ট আছে এখানে, নাম বেরান্নো। পুরো নাম Berannye Lakeshore Cafe. তো নিজেই ড্রাইভ করে যাওয়ার অভ্যাস আর বেশী দেরী হয়ে গিয়েছিলো রাতের জ্যাম এ, তাই পৌঁছাতে দেরী হয়ে গিয়েছিলো। ভাবলাম পরদিন যাই, কি ভেবে ওইদিন বিকেলেই গেলাম। গিয়েই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম Berannye ক্যাফে এর লোকেশন দেখে। অতিশ দ্যা, কয়জন মালিকের মধ্যে উনিও একজন। খুব ভালো একজন মানুষ, প্রথম দিন থেকেই আতিথেয়তার কোনও কমতি ছিলনা। লোকাল কুজিন থেকে শুরু করে চিকেন ব্যাম্বুশুট কি না মজার খাবার Berannye – এ।

অনেক আড্ডা দিলাম, তবে ইলেক্ট্রিসিটি না থাকায় রাতের খাবার বা থাকার কোনও ব্যাবস্থা নাই। Berannye তে যারা যাবেন আগের দিন বুকিং দিয়ে যাবেন, খাবার থেকে শুরু করে লোকেশন আর আড্ডা, টাকা উশুল। ও আচ্ছা কায়াক করার ইচ্ছে থাকলে সেটাও এখানে করার ব্যবস্থা আছে

কিভাবে যাবেনঃ ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটি – বাসে, ওখান থেকে এই ক্যাফে এর নাম বললেই সিএনজি নিয়ে যাবে আপনাকে। দূরত্ব খুব বেশী হলে ২০ কিমি, তবে পাহাড়ি রাস্তার ড্রাইভটা চরম

লোকেশনঃ *****
খাবারঃ *****
পরিবেশঃ *****

তাদের বুকিং নাম্বার: ০১৭৩২৩৩২৮১৯, ০১৮৫৬৯৫৭০০২
বুকিং এর সময়: সকাল ৯ টা – সন্ধ্যা ৭ টা
ফেসবুকঃ https://www.facebook.com/Berannye/

অন্য রেস্টুরেন্ট রিভিউ নিয়ে খুব জলদি আসবো
ভালো থাকবেন

আজ এ পর্যন্তই
৮ই এপ্রিল ২০১৯

AFZ_4430

আড়িয়াল বিলে একদিন

Every flower is a soul blossoming in nature

আমি জানিনা ঠিক কিভাবে মানুষের সাথে কথা বলি বা তাদের সাথে কতোটুকু মিশলে কিছু মানুষ অন্ধের মতো বিশ্বাস আর বড়ভাই এর মতো আমাকে নিজের পরিবারের কাছে পরিচয় করিয়ে দেয়। এসব সম্পর্ক টাকা দিয়ে বা কোনও চিন্তা ভাবনা করে হয়না, এমনি এমনিই হয়ে যায়। এমনি এক ছোটভাই হল রবিন। আমার বিপদে আপদে যখন যে সময়ই আমি ওকে খুঁজেছি সবার আগে ( অনেক সময় আমার আগে ) ও পৌঁছে গেছে। বাবা যখন হাসপাতালে ছিল, পালা করে ও রাতে থাকতো অথচ আমি ওর বাবার সময় কিছুই করতে পারিনি। যখন যেখানে যেতে হয়েছে ছেলেটা চলে গেছে ( একবার তো কিডন্যাপও হয়েছে )।

যাই হোক, রবিনের নিজের বাড়ি হল বিক্রমপুর। সেই সুবাদে ওখানে যাওয়াটা অনেকটা নিজের বাড়িতে যাওয়ার মতো হয়ে গেছে, কারণে অকারণে খালাম্মাকে আমরা (আমরা মানে আমি, আজাদ ভাইয়া… আরও যুক্ত হচ্ছে খুব জলদি, যেমন আশিক ভাইয়া, রেজা ভাইয়া) গিয়ে বিরক্ত করি। বিরক্ত মানে চরম বিরক্ত। আমরা যাওয়া মানেই ওর বাসায় আম গাছ থাকলে আম পাড়ো, সবজি থেকে শুরু করে সব দিয়ে দিবে আঙ্কেল। খালাম্মা তো সেই, প্রথমে বিলে ঘুরে আসো তারপর ছিটেরুটি দিয়ে মাটির চুলায় রান্না করা মুরগির মাংস। এ এক অন্যরকম স্বর্গীয় রান্না, এক বসায় কতখাবেন আপনার কোনও খোঁজ থাকবেনা, নির্লজ্জের মতো আমরা খেতেই থাকি।

তো রবিনের বাড়ি থেকে ২ কদম সামনে গেলেই বিশাল বিল, আড়িয়াল বিল। বর্ষায় এক রকম সৌন্দর্য তো শীতকালে আরেক। বর্ষায় বিলে ট্রলার নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়াবেন শান্ত বিলে, হিম শীতল বাতাস আর শীতকালে সবুজের সমারোহ। শীতে পাবেন ধানক্ষেতে ঘুরে বেড়ানো, শীতের পিঠা আর বিলের পাড়ে আড্ডাবাজি। রবিন কে বলে রাখা মানেই সব রেডি। ঢাকা থেকে শুধু আমরা গেলাম, ব্যস ট্রলার রেডি, ট্রলারেই দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা আর সাথে বিকেলের অপূর্ব সুন্দর সূর্যাস্ত।

এবার গেলে খালাম্মার রান্না আর খালুর বাগানের উপর বিশেষ প্রতিবেদন :p

এবছর আবার যাবো, আবার হয়তো অন্যভাবে দেখবো

কিভাবে যাবেনঃ ঢাকা থেকে শ্রীনগর ( মুন্সিগঞ্জ ), শ্রীনগর এ নেমে সিএনজি নিয়ে গাদিঘাট

আজ এ পর্যন্তই

Munshiganj’s Arial Beel. Arial Beel is an area of about 136 sq km in the middle of Dhaka, between the Padma and Dhaleshwari river.

the special attraction of the A beel is a large-sized sweet pumpkin. The sweet pumpkin is cultivated in winter throughout the whole beel. At the end of the winter, it is taken from the ground. Besides, many small birds of different species roam around the dry arial beel. Due to the presence of Dhaka, he went back to Dhaka early in the evening.

A road from Munshiganj’s Srinagar Bazar has gone straight to the Arial Beel. In this way, Gadiaghat went further in front of Shyamsiddhi village and went ahead. So far the path to the peach road If there is something further away beyond the culvert, then the end of the road.

The beginning of the Arial Bill is mainly from Gadighat. From there, a canal-filled canal has gone into the beel. In winter, they dry the canal water and dry it. Taking away boats from a remote bill brought sweet pumpkin to the tune. It was seen long ago in the rural areas of Bangladesh. If it is lost due to the availability of the engine, it is still seen in the winter bills.

P1030015 copy

নীলগিরি কাব্য

“Just Living is not enough … One must have sunshine, freedom and little flower”

Nilgiri Bandarban will present the tourists a view of nature filled with beauty and majestic in size. A place where anyone feel Bandarban as heaven.

পাহাড়ের সাথে প্রথম দেখা হয়েছে আমার নীলগিরি দিয়েই, তাও রুম্মান ভাইয়া আর ভাবীর যাওয়ার কথা ছিল, কোনও এক অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে ওনারা যেতে পারেন নি তাই এই সুযোগে আমরা ( মানে আমি আর পীযুষ ) গিয়েছিলাম নীলগিরি তে, সেই থেকে পাহাড়ের সাথে সম্পর্ক গড়ে ওঠা আর বার বার ফিরে যাওয়া।

এখন সবাই সাজেক এর দিকে ঝুঁকে গেছে, কারণ এখন সুন্দর রাস্তা হয়েছে, সাজেকের আগে ছিল একমাত্র জায়গা যেখানে মেঘের সাথে পাহাড়ের মিলনমেলা দেখা যেত এই নীলগিরি থেকে। তবে আর্মির তত্ত্বাবধানে থাকার কারণে সবাই গিয়ে থাকতে হয়তো পারতোনা কিন্তু দিনে গিয়ে দেখে আবার ফিরে আসতে হতো। এখন অবশ্য অনেক রিসোর্ট হয়েছে, রাস্তা ভালো হয়েছে, থাঞ্চি পর্যন্ত ব্রিজ দিয়ে রাস্তা হয়েছে, আগে যেটা ট্রলার দিয়ে যেতে হতো।

নীলগিরি বানরবানের সবচেয়ে উঁচু জায়গা, যেখান থেকে রোদ, বৃষ্টি একই সাথে দেখা যায়, রাতের অজস্র নক্ষত্ররাশির সাথে দেখা হয় হেলিপ্যাডে। এক অপার্থিব সৌন্দর্য এই নীলগিরি।

আগের তোলা, তাও ২০১০ সালের হবে, আর কিছু আছে নতুন, শেয়ার করলাম

কিভাবে যাবেনঃ ঢাকা থেকে বান্দরবান সরাসরি এসি/নন-এসি বাস রয়েছে, বাস থেকে নেমে নীলগিরি পর্যন্ত চান্দের গাড়ি বা সিএনজি নিয়ে নিবেন। ওখানে রাতে থাকলে ছেড়ে দিবেন পরদিন নীলগিরি থেকেই অনেক বাস/সিএনজি/চান্দের গাড়ি বান্দরবানে ফিরে আসে।

আজ এ পর্যন্তই

Nilgiri is one of the most beautiful places to visit in Bangladesh. I went to see the view at the Nilgiri resort that is owned by the army. You need to pay a small fee while entering. There are clean wash rooms and restaurants inside the army resort. The view is stunning from this resort

DJI_0007 copy

Panthumai Waterfall, Meghalaya, India

Panthumai, also written as Pang Thu Mai, is another tourist hub in Sylhet which is situated in Gowainghat district. Tourists visiting this village can see the Panthumai waterfall, which is actually situated on the Indian border

বাংলায় লেখার আগে কিছু ইংলিশে দিয়ে দিলাম, কে জানে যদি কোনও অন্য ভাষাভাষী পড়তে আসে। যাই হোক, এবার কাজের কথায় আসি।

পান্থুমাই ঝর্ণা নিয়ে লেখার বিশেষ কারণ হল আমি অনেকবার সিলেট গিয়েছি আর দুর থেকে এই ঝর্ণাটা দেখতাম আর ভাবতাম না জানি বর্ডারের ওই পাশটা কতো সুন্দর। একটা ঝর্ণা দেখেই এমন মনে হতো, যাবো যাবো করে যাওয়া হয়নি। তো ছোটভাই বিল্লাহ মামুন ( এখন অনেক বড় ট্রাভেল এজেন্সির মালিক ) এর বদৌলতে অনেকটা জোর করেই নিজেকে নিয়ে গিয়েছিলাম ওপারের স্বর্গে। হ্যাঁ, আসলেই স্বর্গ। মেঘালয় নিয়ে অনেক বড় করে লেখার ইচ্ছে আছে, তবে আরেকবার ঘুরে আসতে হবে, আর খুব জলদি ই যাওয়ার ইচ্ছে আছে। যাই হোক, তামাবিলের সব ঝামেলা শেষ করে ওপারে গিয়ে আপনি যখন গাড়িতে উঠে বসবেন শিলং বা চেরাপুঞ্জি যাওয়ার জন্য, তখন থেকেই ঝর্ণার ডাক কিছুক্ষণ পরপর পাবেন। এই ঝর্ণাটা আমি যদি ভুল না করি, বর্ডার থেকে রওনা দেয়ার ৩০ মিনিট পরই পড়বে। থেমে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম বাংলাদেশের অংশকে, আর ভাবছিলাম সেই একই কথা এপারেই স্বর্গ। আমি আমার পরের লেখায় এই ঝর্ণার সাথে সাথে আরও কিছু ঝর্ণার সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিবো যেগুলো আশা করবো আপনারা যখন যাবেন না দেখে ফিরবেন না। কিভাবে যাবেন কেমন খরচ পড়তে পারে তার একটা হিসেবও দিয়ে দেয়ার চেষ্টা থাকবে।

পান্থুমাই ঝর্ণা ওইপাড়ে বড়হিল ঝর্ণাও বলে, যে রাস্তাটা এই ঝর্ণাকে অতিক্রম করেছে ওই উচ্চতা থেকে ঝর্ণাকে খুব একটা বড় মনে না হলেও বর্ষাকালে যদি যেতে পারেন এই ঝর্ণার আসল রূপটা দেখে মুগ্ধ না হয়ে পারবেন না।

ঝর্ণা দেখুন, মুগ্ধ হন

আমার শেষবারের মেঘালয় আর শিলং নিয়ে করা ভিডিও, দেখতে পারেন

Prev 1 of 1 Next
Prev 1 of 1 Next


আজ এ পর্যন্তই

AFZ_2961

Sakrain (সাকরাইন) ‘2019

Shakrain Festival (Bengali: সাকরাইন; also known as Kite festival and Ghuri Utsob) is an annual celebration in Dhaka, Bangladesh, observed with the flying of kites.It occurs at the end of Poush, the ninth month of the Bengali calendar (January 14 or 15 in Gregorian calendar).This day is known as Poush Sangkranti (Bengali: পৌষ সংক্রান্তি; End of Poush). Shakrain Festival in one of the oldest annual festivals of Bangladesh. It’s famous and a very important event in Bangladeshi culture. It is the symbol of unity and friendship in Bangladesh

পৌষের প্রথম দিনে এবার সাকরাইন মিস করার কোনও ইচ্ছে ছিলনা। আগের রাতে বগুড়া থেকে ফিরেই সকালে হাল্কা ঘুমিয়ে আজাদ ভাইয়াকে ফোন দিলাম যাচ্ছেন কিনা, উনি সবসময়ের মতো এবারও একবারে গুছিয়ে রেডি। দুপুরের মধ্যে সব কাজ সেরে ১:৩০ টার দিকে রওনা দিলাম পাঠাও দিয়ে ( গাড়ি নিয়ে গেছেন তো ধরা ) , রবিন এর উপর দিয়ে আবার ছোটখাটো ঝড় গেছে, বেচারা রাজশাহী থেকে ১২টার দিকে ফিরেছে, তারপরও সেও রেডি। বরাবরের মতো এবারও রবিনের বন্ধু অনিকের ছাদে পৌছালাম ২:৩০টার দিকে, আমার পাখি আর ক্যামেরা রেডি করে আজাদ ভাইয়ার জন্য অপেক্ষা করতে থাকলাম। ভাইয়া ৩:৪৫ এর দিকে পৌঁছে গেলো। এরপর চলতে থাকলো ছবি তোলা। ঘুড়ি উৎসব চলে দুপুর থেকেই, বিকেল গড়িয়ে সন্ধে হওয়ার সাথে সাথেই শুরু হয় ‘ফায়ার ব্রিদ’ করা আর তারপরই শুরু হয় আতশবাজি ফোটানো

পুরনো ঢাকার একটা ঐতিহ্য এই সাকরাইন। যার আরেক নাম পৌষ সংক্রান্তি। এখন আর কোথাও করা হয় কিনা জানিনা কিন্তু ওরা অনেক ধুমধাম করেই এই দিন পালন করে। কয়েকমাস আগে থেকেই এর প্রস্তুতি চলতে থাকে। কোনও উৎসব সেটা যেটাই হোক, উদযাপনের দিক থেকে পুরনো ঢাকার মানুষগুলো অনেকধাপ এগিয়ে আর এজন্যই হয়তো আমরা নতুন ঢাকার মানুষগুলো ওখানে গিয়ে উদযাপন করতেই বেশী আনন্দ পাই। আর ওদের আতিথেয়তা তো বলার কিছু নাই, একেবারে নিজের পরিবারের সদস্য বানিয়ে ফেলে

আগামি বছর ভাবছি নতুন করে কিছু করবো

ছবি আর ভিডিও দিলাম এখানে

আজ এ পর্যন্তই

DJI_0152 copy

MARINE DRIVE – TEKNAF

Cox’s Bazar–Tekhnaf Marine Drive is an 80-kilometre-long road from Cox’s Bazar to Teknaf along the Bay of Bengal and it is the world’s longest marine drive. It was inaugurated on May 6, 2017 by Prime Minister Sheikh Hasina

Dont miss it when you go to Cox’s bazaar.

সত্যি কথা বলতে অনেকেই কক্সবাজার গিয়ে কলাতলি, লাবনি আর সুগন্ধা পয়েন্টে যান। খুব বেশী হয়তো ইনানি গিয়ে দিনে গিয়ে দিনেই চলে আসেন। অথচ ইনানিতেই রাতটা থাকবেন, দেখবেন সন্ধ্যার পর আর কেউ নাই, পুরো বিচটাই আপনার। আর ওখান থেকে এখন যেকোনো সিএনজি কে বললেই এই মেরিন ড্রাইভে ঘুরিয়ে নিয়ে আসবে। এটা পড়েছে রয়েল টিউলিপের ঠিক পর থেকে

আশা করি এরপর থেকে আর মিস করবেন না


An Afzal Nazim Production

+88-01717-055-205
[email protected]
www.afzalnazim.com

DJI_0404 copy

Aerial of Beautiful Rangamati [HD]

Rangamati (Bengali: রাঙামাটি) (Chakma: চাকমা) is the administrative headquarters of Rangamati Hill District in the Chittagong Hill Tracts of Bangladesh. It is also a Capital city of Chittagong Hill Tracts. The town is located at 22°37’60N 92°12’0E and has an altitude of 14 metres (46 ft).[1] The district is administered by an office named as District Administration, Rangamati

From Chittagong a 77 km road leads to Rangamati. The township is located on the western bank of the Kaptai lake. Rangamati is a holiday destination because of its landscape, scenic beauty, lake, colourful indigenous groups (Chakma, Marma, Keot(Kaibarta), indigenous Assamese people etc.), its flora and fauna, indigenous museum, hanging bridge etc. Sajek Vallery

Special Thanks to: Bangladesh Parjatan Corporation and BGB, kaptai

Background Music: Finding hope – Without you

Do Not Use it without sole permission from corresponding owner of this photo.

For your videography, photography and information:
Phone: +88-01717-05-52-05
Email: [email protected]
Facebook: https://www.facebook.com/Altitude.Aerial/