AFZ_4430

আড়িয়াল বিলে একদিন

Every flower is a soul blossoming in nature

আমি জানিনা ঠিক কিভাবে মানুষের সাথে কথা বলি বা তাদের সাথে কতোটুকু মিশলে কিছু মানুষ অন্ধের মতো বিশ্বাস আর বড়ভাই এর মতো আমাকে নিজের পরিবারের কাছে পরিচয় করিয়ে দেয়। এসব সম্পর্ক টাকা দিয়ে বা কোনও চিন্তা ভাবনা করে হয়না, এমনি এমনিই হয়ে যায়। এমনি এক ছোটভাই হল রবিন। আমার বিপদে আপদে যখন যে সময়ই আমি ওকে খুঁজেছি সবার আগে ( অনেক সময় আমার আগে ) ও পৌঁছে গেছে। বাবা যখন হাসপাতালে ছিল, পালা করে ও রাতে থাকতো অথচ আমি ওর বাবার সময় কিছুই করতে পারিনি। যখন যেখানে যেতে হয়েছে ছেলেটা চলে গেছে ( একবার তো কিডন্যাপও হয়েছে )।

যাই হোক, রবিনের নিজের বাড়ি হল বিক্রমপুর। সেই সুবাদে ওখানে যাওয়াটা অনেকটা নিজের বাড়িতে যাওয়ার মতো হয়ে গেছে, কারণে অকারণে খালাম্মাকে আমরা (আমরা মানে আমি, আজাদ ভাইয়া… আরও যুক্ত হচ্ছে খুব জলদি, যেমন আশিক ভাইয়া, রেজা ভাইয়া) গিয়ে বিরক্ত করি। বিরক্ত মানে চরম বিরক্ত। আমরা যাওয়া মানেই ওর বাসায় আম গাছ থাকলে আম পাড়ো, সবজি থেকে শুরু করে সব দিয়ে দিবে আঙ্কেল। খালাম্মা তো সেই, প্রথমে বিলে ঘুরে আসো তারপর ছিটেরুটি দিয়ে মাটির চুলায় রান্না করা মুরগির মাংস। এ এক অন্যরকম স্বর্গীয় রান্না, এক বসায় কতখাবেন আপনার কোনও খোঁজ থাকবেনা, নির্লজ্জের মতো আমরা খেতেই থাকি।

তো রবিনের বাড়ি থেকে ২ কদম সামনে গেলেই বিশাল বিল, আড়িয়াল বিল। বর্ষায় এক রকম সৌন্দর্য তো শীতকালে আরেক। বর্ষায় বিলে ট্রলার নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়াবেন শান্ত বিলে, হিম শীতল বাতাস আর শীতকালে সবুজের সমারোহ। শীতে পাবেন ধানক্ষেতে ঘুরে বেড়ানো, শীতের পিঠা আর বিলের পাড়ে আড্ডাবাজি। রবিন কে বলে রাখা মানেই সব রেডি। ঢাকা থেকে শুধু আমরা গেলাম, ব্যস ট্রলার রেডি, ট্রলারেই দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা আর সাথে বিকেলের অপূর্ব সুন্দর সূর্যাস্ত।

এবার গেলে খালাম্মার রান্না আর খালুর বাগানের উপর বিশেষ প্রতিবেদন :p

এবছর আবার যাবো, আবার হয়তো অন্যভাবে দেখবো

কিভাবে যাবেনঃ ঢাকা থেকে শ্রীনগর ( মুন্সিগঞ্জ ), শ্রীনগর এ নেমে সিএনজি নিয়ে গাদিঘাট

আজ এ পর্যন্তই

Munshiganj’s Arial Beel. Arial Beel is an area of about 136 sq km in the middle of Dhaka, between the Padma and Dhaleshwari river.

the special attraction of the A beel is a large-sized sweet pumpkin. The sweet pumpkin is cultivated in winter throughout the whole beel. At the end of the winter, it is taken from the ground. Besides, many small birds of different species roam around the dry arial beel. Due to the presence of Dhaka, he went back to Dhaka early in the evening.

A road from Munshiganj’s Srinagar Bazar has gone straight to the Arial Beel. In this way, Gadiaghat went further in front of Shyamsiddhi village and went ahead. So far the path to the peach road If there is something further away beyond the culvert, then the end of the road.

The beginning of the Arial Bill is mainly from Gadighat. From there, a canal-filled canal has gone into the beel. In winter, they dry the canal water and dry it. Taking away boats from a remote bill brought sweet pumpkin to the tune. It was seen long ago in the rural areas of Bangladesh. If it is lost due to the availability of the engine, it is still seen in the winter bills.

Comments are closed.